রবিবার, ২২ নভেম্বর, ২০১৫

ওয়েব সাইট বা ব্লগের জন্য অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপস তৈরি 5 মিনিটে

ওয়েব সাইট বা ব্লগের জন্য
অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপস তৈরি
৫মিনিটে :
অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপস তৈরি করতে
চান? প্রোগ্রামিং জানেন না?
সমস্যা নেই, আজ আপনি নিজের
হাতেই তৈরি করবেন অ্যান্ড্রয়েড
অ্যাপস মাত্র ৫ মিনিটে !
কি অবাক হচ্ছেন? অবাক হওয়ারই
কথা। আজ অনলাইনে একটি ওয়েব
সাইট খুঁজে পেলাম অ্যান্ড্রয়েড
অ্যাপস তৈরি করার।
Apps Geyser
নামের এই ওয়েবসাইট আপনাকে
বিভিন্ন প্রকার অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপস
তৈরির সুযোগ দিচ্ছে কোন
প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ জ্ঞান
ছাড়াই সম্পূর্ণ ফ্রি! প্রথমেই চলুন
দেখে নেই কি কি বৈশিষ্টের
অধিকারী এই Apps Geyser সাইট?
সম্পূর্ণ ফ্রি! তবে চাইলে অর্থ
ব্যয় করেও প্রিমিয়াম অ্যাপস
তৈরি করতে পারবেন।
Apps Geyser আপনাকে বিভিন্ন
প্রকার অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপস
তৈরি করে দিবে। যেমনঃ
ওয়েব সাইট, ব্লগ সাইট,
টেলিভিশন, ব্রাউজার,
ওয়ালপেপার, বই এবং আরও
অনেক ধরনের অ্যাপস।
এইচটিএমএল৫ সাপোর্টেড।
আপনি অ্যাড বা বিজ্ঞাপন বসিয়ে
আয় করতে পারবেন। তবে
আয়ের একটা নির্দিষ্ট অংশ
Apps Geyser সাইট নিয়ে নিবে।
এছাড়া আরও অনেক কিছু...
আপনারা ইতিমধ্যেই জেনে গেছেন
যে, এই সাইটে আপনি বিভিন্ন
প্রকার অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপস তৈরি
করতে পারবেন। তবে শিরোনাম
দেখে নিশ্চয়ই আরও বুঝতে পেরেছেন
আমি আজ শুধুমাত্র আপনার ওয়েব
সাইট বা ব্লগ সাইটের জন্য
অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপস তৈরি নিয়ে
আলোচনা করব। সময় পেলে অন্যান্য
অ্যাপস গুলো তৈরির টিউটোরিয়াল
গুলোও অন্যদিন পোস্ট করব। তবে আজ
চলুন ওয়েব সাইট বা ব্লগ সাইটের জন্য
কিভাবে একটি অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপস
পাঁচ মিনিটেরও কম সময়ে তৈরি করা
যায় তা দেখে নেইঃ
প্রথমে এ সাইটে প্রবেশ করুন।
কয়েকটি ঘর ও ফরম দেখতে পারবেন।
এখানে যথাক্রমে Website URL
App name, Description ঘরে
আপনার সাইটের অ্যাড্রেস,
অ্যাপস এর নাম আপনার
পছন্দমত এবং অ্যাপসের কিছু
বিবরন দিয়ে Refresh preview
ক্লিক করুন। এতে আপনি
আপনার অ্যাপসের পূর্বরূপ
দেখতে পারবেন। এছাড়াও
আপনি আপনার সাইটের
ফেভিকনও আপলোড দিতে
পারবেন।
এখন CREATE APP ক্লিক করুন।
সেখানে প্রয়োজনীয় নানা
তথ্য যেমনঃ নাম, ইমেইল
ইত্যাদি অর্থাৎ সাইন আপ
করতে যা যা লাগে সেগুলো
দিয়ে সাইন আপ করুন।
এরপর আপনি
অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপসের
ডাউনলোড লিংক পেয়ে
যাবেন। সেটি দিয়ে
ডাউনলোড করে আপনি নিজে
আগে ব্যবহার করে যাচাই
করে নিন।
তারপর
সাইটের অ্যাপস ডাউনলোড
লিংক বিভিন্ন জায়গায়
শেয়ার বা প্রকাশ করুন।

আমার অ্যাপসটি ডাউনলোড করে দেখতে পারেন।
ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন।

আয়নিক ও সমযোজী যৌগের ধর্ম

আয়নিক যৌগের ধর্ম :
♧আয়নিক যৌগসমূহ ধাতু ও অধাতুর 
    সমন্বয়ে গঠিত।
♧এদের গলনাংক ও স্ফূটনাংক অনেকে   
    বেশি।
♧আয়নিক স্ফটিকসমূহ ভঙ্গুর ও নমনীয়
    হয়।
♧আয়োনিক যৌগের ক্ষেত্রে সাধারণত
    সমাণুতা দেখা যায় না।
♧জলীয় দ্রবণে এরা দ্রুত বিক্রিয়া করে।
♧কঠিন অবস্থায় এরা ত্বড়িৎ পরিবহন 
    করে না।
♧জলীয় দ্রবণে ক্যাটায়ন ও অ্যানায়নে
    বিভক্ত হয়।
♧সমযোজী যৌগের চেয়ে এরা অধিক
    শক্তিশালী আণবিক বন্ধনে আবদ্ধ 
    থাকে।

সমযোজী যৌগের ধর্ম :
♧সমযোজী যৌগসমূহের গলনাংক ও 
    স্ফুটনাংক অনেক কম ও তারা উদ্বায়ী।
♧সমযোজী যৌগে কোন আয়ন সৃষ্টি হয় 
    না।
♧সমযোজী যৌগে প্রায়ই সমাণুতা দেখা 
    যায়।
♧বিদ্যুৎ পরিবহন করতে পারে না।

এসএসসি রসায়ন MCQ নবম অধ্যায় এসিড ক্ষার সমতা

1. এসিডে H+ কিভাবে থাকে?
ক) যুক্ত থাকে
খ) ভ্রাম্যমাণ থাকে
গ) দ্রবীভূত থাকে
ঘ) ভাসমান থাকে
সঠিক উত্তর: (খ)
2. মাটির pH 3 এর কম হলে মাটি থেকে
কোন উপাদান চলে যায়?
ক) ক্যালসিয়াম
খ) সোডিয়াম
গ) জিঙ্ক
ঘ) অক্সিজেন
সঠিক উত্তর: (ক)
3. অজানা দ্রবণের pH মান জানার জন্য
কোনটি ব্যবহার করা হয়?
ক) pH মিটার
খ) স্কেল
গ) কাগজ
ঘ) ফিল্টার পেপার
সঠিক উত্তর: (ক)
4. মাটি অতিরিক্ত ক্ষারীয় হলে কোন
যৌগটি যোগ করা হয়?
ক) অ্যামোনিয়অম সালফেট
খ) অ্যামোনিয়া
গ) অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট
ঘ) সোডিয়াম কার্বনেট
সঠিক উত্তর: (ক)
5. দ্রবণটি অম্লীয় হলে pH এর কোন
সম্পর্কটি সত্য?
ক) pH>7
খ) pH<7
গ) pH=7
ঘ) pH=14
সঠিক উত্তর: (খ)

বৃহস্পতিবার, ১৯ নভেম্বর, ২০১৫

অ্যামোনিয়ার জলীয় দ্রবণ ক্ষারীয়

☆অ্যামোনিয়ার জলীয় দ্রবণ ক্ষারীয়         প্রকৃতির কেন ব্যাখ্যা কর?
অ্যামোনিয়া জলীয় দ্রবণে হাইড্রোক্সিল আয়ন ত্যাগ করে।ফলে তা লাল লিটমাসকে নীল করে।
NH3+H2O=NH4++OH-
লাল লিটমাস + [OH-] =নীল
তাই অ্যামোনিয়ার জলীয় দ্রবণ ক্ষারীয়।

বুধবার, ১৮ নভেম্বর, ২০১৫

লম্ববিন্দু,লম্বদুরত্ব,ভরকেন্দ্র,পরিকেন্দ্র,পরিব্যাসার্ধ,অন্তঃকেন্দ্র

লম্ববিন্দু:  ত্রিভুজের তিনটি শীর্ষ থেকে বিপরীত বাহুর উপর অঙ্কিত লম্ব যে বিন্দুতে মিলিত হয় তাকে লম্ববিন্দু বলে।   
লম্বদুরত্ব:  লম্ববিন্দু থেকে ত্রিভুজের শীর্ষ বিন্দুর দুরত্বকে লম্বদুরত্ব বলে।
ভরকেন্দ্র:  ত্রিভুজের মধ্যমাত্রয় যে বিন্দুতে মিলিত হয় তাকে ভরকেন্দ্র বলে।
পরিকেন্দ্র:   ত্রিভুজের যেকোনো দুই বাহুর সমদ্বিখন্ডকদ্বয় যে বিন্দুতে মিলিত হয়  তাকে পরিকেন্দ্র বলে।
পরিব্যাসার্ধ:  পরিকেন্দ্র থেকে ত্রিভুজের শীর্ষ বিন্দুর দুরত্বকে পরিব্যাসার্ধ বলে।
অন্তঃকেন্দ্র ঃ  ত্রিভুজের তিনটি কোণের সমদ্বিখন্ডকত্রয় যে বিন্দুতে মিলিত হয় তাকে অন্তঃকেন্দ্র বলে।








শনিবার, ১৪ নভেম্বর, ২০১৫

পর্যায় সারণিতে মৌলের অবস্থান নির্ণয়ের নিয়ম

1.শেষ ইলেকট্রন s অরবিটালে স্থান পেলে সেই সংখ্যাই হবে গ্রুপ সংখ্যা।
2.শেষ ইলেকট্রন p অরবিটালে স্থান পেলে s+p+10=শ্রেণি
3.শেষ ইলেকট্রন d অরবিটালে স্থান পেলে s+d=শ্রেণি
4.শেষ ইলেকট্রন 4f অরবিটালে স্থান পেলে এরা ল্যানথানাইড।
5.শেষ ইলেকট্রন 5f অরবিটালে স্থান পেলে এরা অ্যাকটিনাইড।
☆মৌলের সর্ব বহিস্থ শেল=পর্যায় সংখ্যা